অধ্যায় ৬ – ধ্যান যোগ
এই অধ্যায়ে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে ধ্যান বা যোগসাধনার প্রকৃত পথ শেখান। তিনি ব্যাখ্যা করেন, যোগী সেই ব্যক্তি যিনি কর্ম, ভক্তি ও ধ্যানের সমন্বয়ে আত্মাকে উপলব্ধি করেন।
পূর্ণ কাহিনি:
সত্যিকারের যোগী:
কৃষ্ণ বলেন—
- যিনি আসক্তি ছাড়া কর্তব্য কর্ম করেন, তিনিই প্রকৃত যোগী।
- যিনি সন্ন্যাসী আবার কর্মী—তিনি সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
- যোগী জ্ঞানী, তপস্বী ও কর্মীর থেকেও শ্রেষ্ঠ।
যোগীর সাধনা:
যোগীর জীবন শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে।
- খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, কাজ সবকিছুতে সংযম রাখতে হবে।
- যোগী নির্জন স্থানে বসে চিত্ত একাগ্র করে ধ্যান করবেন।
- তিনি নিজের মনকে আত্মায় নিবিষ্ট করবেন।
ধ্যানের পদ্ধতি:
কৃষ্ণ ধ্যানের নিয়ম ব্যাখ্যা করেন—
- যোগী স্থির আসনে বসবেন।
- দেহ, মস্তক ও গলা সোজা রাখবেন।
- মনকে একাগ্র করে ঈশ্বরচিন্তায় নিবিষ্ট থাকবেন।
যোগীর শ্রেষ্ঠত্ব:
কৃষ্ণ বলেন—
“সব যোগীর মধ্যে সেই যোগী শ্রেষ্ঠ, যিনি ভক্তিভরে আমাকে ধ্যান করেন।”
অধ্যায়ের উপসংহার:
ধ্যানযোগী ঈশ্বরের সঙ্গে মিলিত হন। তিনি সব জীবকে নিজের মতো দেখেন, কারও প্রতি হিংসা করেন না, সকলের মঙ্গল চান। এভাবেই ধ্যানযোগীর জীবন পরম শান্তি ও মুক্তিতে পৌঁছে।

