Thursday, February 5, 2026
HomeTripuraশান্তি ও শৃঙ্খলায় হোক দুর্গোৎসব – মন্ত্রী সুধান্শু দাসের বার্তা

শান্তি ও শৃঙ্খলায় হোক দুর্গোৎসব – মন্ত্রী সুধান্শু দাসের বার্তা

ত্রিপুরা সরকারের এসসি কল্যাণ, মৎস্য ও এআরডিডি দপ্তরের মাননীয় মন্ত্রী সুধান্শু দাস আজ ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে রাজ্যের নাগরিকদের উদ্দেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা জানান। আসন্ন দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে তিনি সবাইকে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে পূজা উদযাপনের আহ্বান জানান।

তার বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে—রাস্তা ঘাটে গাড়ি দাঁড় করিয়ে অথবা জোরপূর্বক চাঁদা তুলে বড় বড় মণ্ডপ নির্মাণ করা সম্ভব হলেও, এভাবে দেবী দুর্গাকে খুশি করা যায় না। দুর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ উৎসব; তাই রীতি মেনে, সাত্ত্বিক ও ভক্তিভরে পূজার্চনা করা উচিত—এমনটাই তার মতে।

মন্ত্রী আরও মনে করিয়ে দেন—আপনার আনন্দ যেন অন্যের নিরানন্দের কারণ না হয়। অর্থাৎ, উৎসব উদযাপনের উচ্ছ্বাসটি যেন কারও চলাচল, জীবিকা বা দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটিয়ে না দেয়। সবার অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকলেই প্রকৃত উৎসবের আনন্দ নিশ্চিত হয়।

তিনি সকল পূজা কমিটির কাছে অনুরোধ জানান, জোর করে অর্থ সংগ্রহ, রাস্তা অবরোধ বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে। বরং প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে আয়োজনে ব্রতী হতে বলেন।

বার্তায় আরও উঠে আসে সামাজিক সাম্য ও সহমর্মিতার কথা। তিনি বলেন, দুর্গোৎসবের মাহাত্ম্য শুধু প্রতিমা নির্মাণ বা আলোকসজ্জায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং দরিদ্র, প্রবীণ ও প্রান্তিক মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেই উৎসব পূর্ণতা পায়। তাই স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ, রক্তদান শিবির, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান বা সাহায্য-সহযোগিতামূলক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সর্বোপরি, তিনি মনে করিয়ে দেন যে ধর্মীয় আচার পালনের মূল উদ্দেশ্য মনুষ্যত্বের উৎকর্ষ ও সামাজিক সম্প্রীতি গঠন করা। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে সবাইকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শব্দদূষণ ও পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তাসহ সব ধরনের বিধি অনুসরণের অনুরোধ করেন, যাতে আসন্ন দুর্গোৎসব সত্যিই সবার জন্য মঙ্গলময় হয়।

এই আহ্বানের সারমর্ম—ভক্তিভরে রীতি মেনে পূজা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, এবং আনন্দকে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। সামাজিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার ভিত্তিতে আমরা যদি উৎসব পালন করি, তবেই দুর্গোৎসব তার প্রকৃত লক্ষ্য ও সৌন্দর্যে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

Also Read:

Short Post
Short Posthttp://sortpost.in
Your daily source of the latest news in Bangla. Stay updated with politics, technology, sports, entertainment and society. Fresh posts every day in a short, simple and informative style."
RELATED ARTICLES

Leave a reply

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments